ঔরঙ্গজেবের ধর্মনীতি

ঔরঙ্গজেবের ধর্মনীতি

https haygot.s3.amazonaws.com 443 cheatsheet 24187 ea0bcc3bb3d445e88ebfb48ddb63cfba
ঔরঙ্গজেবের ধর্মনীতি

ঔরঙ্গজেব ছিলেন নিষ্ঠাবান সুন্নি মুসলমান । কোনােরকম বিলাস ব্যসন বা আসক্তি তিনি যথাসম্ভব পরিহার করে চলতেন । অবসর সময়ে কোরান নকল করতেন এবং টুপি সেলাই করতেন । কোরান ও টুপির বিক্রীত অর্থে তিনি নিজের সমাধিমন্দির নির্মাণের ব্যবস্থা করেন । এই কারণে সুন্নি মুসলমানগণ তাকে ‘ জিন্দাপীর ’ ( Living Saint ) বলে মনে করতেন ।

ইসলামিক আদর্শের প্রতি অনুরাগ 

তাঁর ব্যক্তিগত ধর্মবিশ্বাস তার রাষ্ট্রনীতিকে প্রভাবিত করে ভারতবর্ষকে ‘ দার উল ইসলাম ’-এ পরিণত করাকে তিনি নিজের নৈতিক ধর্মীয় কর্তব্য বলে মনে করতেন । এই উদ্দেশ্যে তিনি আবু হানিফার ইসলামি ব্যাখ্যার উপর ভিত্তি করে রাষ্ট্রীয় আইনকানুন রচনা করেন । এককথায় , তিনি ভারতবর্ষকে ইসলামিক ধর্মাশ্রিত রাষ্ট্রে পরিণত করতে উদ্যোগী হন । ফলে আকবরের আমলে যে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগঠনের উদ্যোগ শুরু হয়েছিল , তা সম্পূর্ণভাবে বর্জিত হয় । ঔরঙ্গজেব ইসলামের অনুশাসনগুলি কঠোরভাবে মান্য করার নির্দেশ দেন । এজন্য তিনি মুঘল দরবারে প্রচলিত বহু অনুষ্ঠান ও রীতিনীতি বন্ধ করার আদেশ জারি করেন । তার নির্দেশে ‘ নওরােজ ’ অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয় । সম্রাটের জন্মদিনে তার দেহের ওজনের সমপরিমাণ সােনা-রূপা দান করার প্রথা ( তুলা দান ) বন্ধ করা হয় । রাজদরবারে নৃত্যগীতি নিষিদ্ধ হয় । অধিকাংশ গায়ক ও বাদককে দিল্লি ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয় । জ্যোতিষীদের দিল্লি থেকে বিতাড়িত করা হয় । গণিকাদের তিনি বিবাহিত জীবনযাপনের নির্দেশ দেন । মদ্যপান বা মদ তৈরি নিষিদ্ধ করা হয় । পূর্বে হিন্দুদের ‘ দশেরা ‘ অনুষ্ঠানে সম্রাটরা যােগ দিতেন । ঔরঙ্গজেব তা-ও বন্ধ করে দেয় । ইসলামের মন্ত্র ‘ কলমা ‘ যাতে বিধর্মীদের হাতে কলঙ্কিত না হয় , সেজন্য তিনি মুদ্রার উপর কলমা উৎকীর্ণ করা বন্ধ করে দেন । সম্রাট জনসাধারণকে যে ‘ ঝরােখা ’ দর্শন দিতেন , ঔরঙ্গজেব তা -ও বন্ধ করেন । পির বা সন্ন্যাসীদের সমাধিস্থলে বাতি দেওয়া বা দরবারে হিন্দু রাজা এলে তাঁর কপালে চন্দন তিলক পরিয়ে তাকে বরণ করার রীতিও তিনি বন্ধ করেন । এইসব নির্দেশ ঠিকমতাে পালিত হচ্ছে কিনা , তা দেখবার জন্য বিভিন্ন শ্রেণির কর্মচারীও নিযুক্ত করেন । 

ধর্মীয় সংকীর্ণতা 

ঔরঙ্গজেবের ধর্মনীতির গুরুত্বপূর্ণ দিক হল হিন্দুদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ । আকবরের আমলে যে হিন্দু-মুসলমান সমন্বয় ও সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল , তার মূলে কুঠারাঘাত করেন ঔরঙ্গজেব । হিন্দুদের ক্ষমতাহীন ও গুরুত্বহীন করার জন্য তিনি একের পর এক দমনপীড়ন মূলক আইন জারি করেন । তিনি হিন্দুদের দেওয়ালি , হােলি ও বসন্ত উৎসব বন্ধ করে দেন । রাজপুত ব্যতীত অন্যান্য হিন্দুদের পক্ষে পালকি অথবা হাতির পিঠে চড়া নিষিদ্ধ করা হয় । এক সরকারি আইন জারি করে ( ১৬৬৯ খ্রিঃ ) হিন্দুদের নতুন মন্দির নির্মাণ বা পুরােনাে মন্দির সংস্কার নিষিদ্ধ করা হয় । প্রাদেশিক শাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয় হিন্দু-মন্দির ও বিদ্যালয় ধ্বংস করতে । মন্দিরের স্থলে মসজিদ নির্মাণকার্যকে উৎসাহিত করা হয় । তার নির্দেশমতােই বহু হিন্দু-মন্দির ধ্বংস করা হয় । বারাণসীর বিশ্বনাথ মন্দির , সােমনাথের মন্দির সেই সময় ধ্বংস করা হয় । ঔরঙ্গজেব ১৬৭৯ খ্রিস্টাব্দে হিন্দুদের উপর ‘ জিজিয়া কর ’ পুনঃপ্রবর্তন করেন । ফলে আকবর যে বৈষম্যমূলক ও অপমানজনক করভার থেকে হিন্দুদের মুক্ত করেছিলেন , তা পুনঃপ্রবর্তন করে ঔরঙ্গজেব হিন্দুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত করেন । এ ছাড়া এক ফর্মান জারি করে তিনি হিন্দু কেরানি , কানুনগাে সহ বহুসংখ্যক হিন্দু কর্মচারীকে সরকারি চাকুরি থেকে বহিষ্কার করেন এবং ওই সমস্ত পদে মুসলমানদের নিয়ােগের নির্দেশ দেন । 

বিরুদ্ধমত

ঔরঙ্গজেবের ধর্মনীতি হিন্দুদের ক্ষুব্ধ করেছিল । সিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত মুসলমানরাও ‘ সুন্নি ‘ – সম্রাটের প্রতি রুষ্ট হয়েছিল । এটি নিঃসন্দেহে মুঘল সাম্রাজ্যের সংহতির পক্ষে ক্ষতিকারক হয়েছিল । তবে আধুনিক গবেষকগণ ঔরঙ্গজেবের ধর্মনীতির মধ্যে বিভিন্ন যুক্তিবাদের অবতারণা করেছেন । এই নীতি পরিণামে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল ঠিকই , তবে তার জন্য ব্যক্তি ঔরঙ্গজেবকে সম্পূর্ণ দায়ী করা যায় না । এইসব গবেষকের মতে , ঔরঙ্গজেব ব্যক্তি হিসেবে ছিলেন একান্তভাবে ইসলাম অনুরাগী । তার প্রবর্তিত বিভিন্ন আদেশ কেবল শরিয়তের নির্দেশকেই কার্যকর করতে চেয়েছিল । ‘ জিজিয়া কর ‘ প্রবর্তনে তার ধর্মান্ধতা ছিল না । যদি ধর্মান্ধতাবশত তিনি এ কাজ করতেন , তাহলে সিংহাসনারোহণের পর সতেরাে বছর অপেক্ষা করতেন না । তা ছাড়া এটি কোনাে বৈষম্যমূলক কর ছিল না বা অতিরিক্ত ভারস্বরূপও ছিল না । মুসলমান শাসনে ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তার জন্য এই করদানের রীতি অনেক আগে থেকেই প্রচলিত ছিল । ইসলামি রীতি অনুসারে সামরিক দায়িত্ব পালন থেকে নিষ্কৃতি পাবার জন্য অ-মুসলমানেরা এই কর দিত । যারা সামরিক দায়িত্ব পালন করত , তাদের এই কর দিতে হত না । ফতােয়াৎ-ই-আলমগির -এর লেখক ঈশ্বরদাস  নাগর মন্তব্য করেছেন যে , মৌলবাদীদের চাপের ফলেই সম্রাট ‘ জিজিয়া কর ’ পুনঃস্থাপন করতে বাধ্য হন । এস. এম. জাফরের  মতে , তখন মৌলবাদীদের দাবি বা সিদ্ধান্ত অস্বীকার করা কোনাে সাচ্চা ইসলামির পক্ষেই সম্ভব ছিল না । সম্রাট প্রায় ৮০ রকম অতিরিক্ত কর রহিত করে দেন । ফলে কোষাগারের অর্থাভাব পূরণের জন্য এই সামান্য কর স্থাপন কিছু খারাপ কাজ ছিল না । তা ছাড়া তিনি হিন্দুদের সবাইকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করেন এও ঠিক নয় । তার সময়ে বহু হিন্দু উচ্চ ও দায়িত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন । গৌতম ভদ্রের  মতে , তিনি এক সময়ে হিন্দু মন্দির নির্মাণ বন্ধের নির্দেশ দিলেও , বহু হিন্দু মন্দির তার পৃষ্ঠপােষকতা লাভ করেছিল । ব্রাহ্মণদের নিষ্কর জমিদানের নির্দেশও তিনি দেন । তবে হিন্দু ব্যবসায়ীদের উপর আরােপিত অতিরিক্ত শুল্ক প্রকৃতই ছিল বৈষম্যমূলক কর ।  

ধর্মীয় প্রতিক্রিয়া 

ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারের  মতে , ঔরঙ্গজেবের অনুদার ধর্মনীতির প্রতিক্রিয়া স্বরূপ সারা দেশে হিন্দু-বিক্ষোভ ও বিদ্রোহ শুরু হয় । তার বৈষম্যমূলক নীতি হিন্দুদের মূল্যবােধকে আঘাত করে । ‘ জিজিয়া কর ’ পুনঃস্থাপন , মন্দির ধ্বংস , বিভিন্ন হিন্দু-উৎসব বন্ধ করে দেওয়া প্রভৃতির ফলে জাঠ , বুন্দেলা , সৎনামী , শিখ প্রভৃতি হিন্দু সম্প্রদায় বিদ্রোহে শামিল হয় । অবশ্য আধুনিক গবেষকগণ এইসব বিদ্রোহকে শুধুমাত্র ধর্মীয় বিদ্রোহ না বলে কৃষক বিদ্রোহ বলার পক্ষপাতী । এঁদের মতে , এইসব বিদ্রোহের নেতৃত্ব ছিল জমিদারদের হাতে এবং অংশগ্রহণকারীরা সবাই ছিল কৃষক । এ তত্ত্ব স্বীকার করে নিয়েও বলা যায় যে , ঔরঙ্গজেবের বৈষম্যমূলক ধর্মনীতিই এইসব বিদ্রোহের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিল । 

জাঠ বিদ্রোহ :

ঔরঙ্গজেবের ধর্মীয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহী হয় মথুরার জাঠ সম্প্রদায় । এরা ছিল মূলত কৃষিজীবী । এদের চরিত্র ছিল নির্মল । মথুরার মুঘল ফৌজদার আব্দুল নবি মথুরা নগরে একটি মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের উপর মসজিদ নির্মাণ করেন । কেশব রায়ের মন্দিরে দারা শিকোহ প্রদত্ত প্রস্তরনির্মিত রেলিংটিও অপসারিত করেন । এতে ক্ষুব্ধ জাঠগণ তিলপতের জমিদার গােকলার নেতৃত্বে বিদ্রোহ হয় ( ১৬৬০ খ্রিঃ ) । মুঘলবাহিনী কঠোর হস্তে এই বিদ্রোহ দমন করে এবং গােকলাকে হত্যা করা হয় । অতঃপর জাঠদের উপর মুঘল অত্যাচার চলতেই থাকে । ১৬৮৬ খ্রিস্টাব্দে রাজারামের নেতৃত্বে তারা আবার বিদ্রোহ ঘােষণা করে । রাজারামের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র চূড়ামনের নেতৃত্বে জাঠরা তৃতীয়বার বিদ্রোহী হয় ( ১৬৯১ খ্রিঃ ) । ঔরঙ্গজেবের রাজত্বের শেষ দিন পর্যন্ত জাঠদের আন্দোলন চলতে থাকে । শেষ পর্যন্ত জাঠরা স্বাধীন রাজ্য স্থাপন করে । 

বুন্দেলা বিদ্রোহ :

ঔরঙ্গজেবের ধর্মনীতির বিরুদ্ধে বুন্দেলখণ্ডের বুন্দেলাগণ বিদ্রোহী হয় । চম্পত রায় প্রথম বুন্দেলাদের নেতৃত্ব দেন । কিন্তু মুঘলবাহিনী বুন্দেলাদের পরাস্ত করলে চম্পত রায় আত্মহত্যা করেন । তার পুত্র ছত্রশালের নেতৃত্বে বুন্দেলা বিদ্রোহ ব্যাপক আকার ধারণ করে । তিনি প্রথমে মুঘল কর্মচারী ছিলেন । পরে নির্যাতিত বুন্দেলাদের মুক্তির জন্য মুঘলদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘােষণা করেন ( ১৬৭১ খ্রিঃ ) । তার নেতৃত্বে বুন্দেলখণ্ডে স্বাধীন হিন্দুরাজ্য স্থাপিত হয় ।

সৎনামী বিদ্রোহ :

পাতিয়ালা ও মেওয়াটের ‘ সৎনামী ’ গােষ্ঠীভুক্ত হিন্দুরাও ঔরঙ্গজেবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে ওঠে । ওরা বৈষ্ণবদের মতাে মাথা মুড়িয়ে বৈরাগীর মতাে জীবনযাপন করত । সৎভাবে যীবনযাপন করত বলেই এদের ‘ সৎনামী ’ বলা হত । সৎনামী চাষিদের উপর মুঘল কর্মচারীদের অত্যাচার ও শােষণের প্রতিবাদে এরা বিদ্রোহী হয় । এদের নেতৃত্ব দেন গরিবদাস হাড়া । অনেকে একে ‘ কৃষক বিদ্রোহ ‘ বলে আখ্যায়িত করার পক্ষপাতী । গৌতম ভদ্রের  মতে , ধর্মীয় সম্প্রদায়গত সংহতি ও চেতনা সৎনামী কৃষকদের বিদ্রোহে উদ্বুদ্ধ করে । ঔরঙ্গজেব প্রচণ্ড অত্যাচার দ্বারা এই বিদ্রোহকে প্রশমিত করেন । 

শিখ বিদ্রোহ :

ঔরঙ্গজেবের ধর্মনীতির ফলে শিখসম্প্রদায়ও বিদ্রোহ ঘােষণা করে । নবম শিখগুরু তেগবাহাদুর ঔরঙ্গজেবের ধর্মনীতির প্রতিবাদ করেন । তিনি বহু ইসলামিকে শিখধর্মে ধর্মান্তরিত করেন এবং ঔরঙ্গজেবের অনুদার ধর্মনীতির বিরুদ্ধে শিখদের সংগঠিত করেন । বহু হিন্দু তেগবাহাদুরের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুঘল বিরােধী আন্দোলনে লিপ্ত হয় । ক্ষুব্ধ ঔরঙ্গজেব তেগবাহাদুরকে বন্দি করে এনে হয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ অথবা মৃত্যুবরণ করার আদেশ দেন । শিখগুরু সানন্দে প্রাণ দেন , কিন্তু ধর্ম বা সার দিতে অস্বীকার করেন । এজন্য বলা হয় “ শির দিয়া , সার না দিয়া ” । তেগবাহাদুরকে হত্যা করলে শিখগণ ঔরঙ্গজেবের উপর প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয় । পরবর্তী শিখগুরু গােবিন্দ সিংহ পিতৃহত্যার প্রতিশােধগ্রহণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন । তিনি ঘােষণা করেন , “ আমি চারি বর্ণের লােককে সিংহতুল্য করে গড়ে তুলব এবং মুঘল সাম্রাজ্য ধ্বংস করব । ‘ শিখদের তিনি সামরিকবিদ্যায় পারদর্শী হতে নির্দেশ দেন । তিনি ‘ খালসা পন্থ ’ নামে শিখ সামরিক বাহিনী গড়ে তােলেন । তিনি কেশগড় , লােহাগড় , ফতেগড় ও আনন্দগড়ে কয়েকটি দুর্গ গড়ে তােলেন । ১৬৯৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি মুঘলদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত থাকেন । শেষ পর্যন্ত ঔরঙ্গজেব তাকে দরবারে আমন্ত্রণ করেন । কথিত আছে , পথিমধ্যে এক আততায়ী তাকে হত্যা করেন । 

এ ছাড়া রাজপুত ও মারাঠা জাতিও ঔরঙ্গজেবের অনুদার ধর্মনীতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে । ধর্মীয় ক্ষোভের সাথে রাজনৈতিক ক্ষোভ যুক্ত হলে তারাও মুঘলদের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তােলে । এদের আন্দোলন দমন করতে গিয়ে ঔরঙ্গজেব নিঃশেষ হয়ে যান এবং আরও নানা বিপত্তি ডেকে আনেন । এইভাবে ধর্মীয় অনুদারতা ঔরঙ্গজেব তথা মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পটভূমি রচনা করে ।

1 thought on “ঔরঙ্গজেবের ধর্মনীতি”

  1. ঔরঙ্গজেব নাকি খুব ধর্মপ্রাণ মুসলমান ছিলেন? তিনি নাকি তার রাজকোষের অর্থ নিজের জন্য ব্যবহার করতেন না,নিজে টুপি পাঞ্জাবী সেলাই করে যে পয়সা পেতেন তা দিয়ে ই দিনপাত করতেন তা ইতিহাসে পড়েছি সেটা কি মিথ্যা কথা?

    Reply

Leave a Comment

error: Content is protected !!