মন্টেসরি এডুকেশন

মন্টেসরি এডুকেশন

মাদাম মন্তেসরি শিক্ষা ক্ষেত্রে এক অবিস্মরণীয় নাম । তাঁর নির্ধারিত শিক্ষণ পদ্ধতি পৃথিবীর সমস্ত দেশেই শিশু শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয় । তিনি শিক্ষাপ্রক্রিয়ার উপর শুধু তাত্ত্বিক আলোচনাই করেননি , তাঁর শিক্ষা নীতির প্রত্যক্ষ প্রয়োগ পদ্ধতি বর্তমানে মন্তেসরি পদ্ধতি ( Montessori Method ) নামে প্রচলিত । শিক্ষাকে তিনি খুব বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখেছিলেন , এবং তাঁর শিক্ষাতত্ত্বের মধ্যে আমরা তাত্ত্বিক আলোচনার থেকে প্রয়োগমূলক দিকের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেখতে পাই । তাঁর এই বাস্তবধর্মী চিন্তার প্রভাবে শিক্ষা ক্ষেত্রে মনোবৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গী স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে । 

মন্তেসরি শিক্ষার লক্ষ্য Montessori’s Educational Aim )  

মন্তেসরি শিক্ষাকে বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখেছেন । তাই তাঁর চিন্তাধারার মধ্যে দার্শনিক তত্ত্বের কোন স্থান নেই । তবে তাঁর শিক্ষা চিন্তায় অনেকাংশে ফ্রয়েবেলের শিক্ষা চিন্তার পূনরাবৃত্তি লক্ষ্য করা যায় । তিনি বলেছেন , শিশুর স্বাভাবিক জীবন বিকাশের জন্য যে সহায়তা তাকে দেওয়া হয় , তাই হল শিক্ষা । তিনি বিশ্বাস করতেন , প্রত্যেক শিশুই নিজস্ব বৈশিষ্ট্য এবং জন্মগত ক্ষমতার অধিকারী এবং প্রত্যেক শিশুই এক জন্মগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখে । 

শিক্ষার উদ্দেশ্য হবে প্রত্যেক শিশুকে তার জন্মগত ক্ষমতা অনুযায়ী পরিবেশের সঙ্গে সার্থকভাবে অভিযোজন করতে সহায়তা করা । তিনি আরও বলেছেন , যেহেতু প্রত্যেক শিশু নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য নিয়ে একটি নিরপেক্ষ সত্তা , সেহেতু তাকে শিক্ষা দিতে হলে সম্পূর্ণ পৃথকভাবে তার ক্ষমতানুযায়ী শিক্ষা দিতে হবে । তিনি বলেছেন , প্রত্যেক শিশু তার নিজস্ব ক্ষমতানুযায়ী অন্তর থেকে বিকাশ লাভ করবে । শিক্ষার উদ্দেশ্য হবে প্রত্যেক শিশুর আত্মবিকাশে সহায়তা করা , যে বিকাশের জন্য সে দেহমনে প্রস্তুত । 

ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যের উপর গুরুত্ব মন্তেসরির শিক্ষা দর্শনের মূল কথা । প্রত্যেক শিশুকে যোগ্য শিক্ষার মাধ্যমে তার নিজস্ব ক্ষমতানুযায়ী , পরিপূর্ণ বিকাশের পথে এগিয়ে দেওয়াই হবে শিক্ষার মূল কাজ । এক কথায় বলা যেতে পারে , মস্তেস্বরীর শিক্ষাচিন্তানুযায়ী শিক্ষা হল বিকাশের প্রক্রিয়া , আর তার লক্ষ্য হল ব্যক্তি জীবনের বিকাশ । 

মন্তেসরি শিক্ষার পাঠ্যক্রম ( Montessori’s Method ) 

মন্তেসরির শিক্ষা চিন্তা বিশেষ ভাবে শিশুদের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল । তাই পাঠ্যক্রম সম্পর্কে তিনি বিশেষ কিছু বলেননি । নিয়মমাফিক পাঠ্যক্রমে তিনি শিশুদের জন্য লেখা ( Writing ) , পড়া ( Reading ) এবং গণিত ( Arithmetic ) — এই তিনটি বিষয়ের কথা বলেছেন । 

এছাড়া জীবনের পক্ষে প্রয়োজনীয় কতকগুলি অভ্যাস এবং দক্ষতার উপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন । কিভাবে নিজের দৈহিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হয় , কিভাবে কাপড় চোপড় পরিষ্কার করতে হয় , কিভাবে ঘর পরিষ্কার রাখতে হয় — এইসব শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন । এছাড়া কিছু ব্যায়ামের ব্যবস্থাও পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন । হাতের কাজকে পাঠ্যক্রমে তিনি স্থান দিয়েছেন । 

মন্তেসরি শিক্ষা পদ্ধতি ( Montessori’s Method of Instruction ) 

মন্তেসরির শিক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল শিক্ষণ পদ্ধতি । বিশেষ করে তিনি শিক্ষণ পদ্ধতিতে নানা দিক থেকে নতুনত্ব এনেছেন । তাঁর শিক্ষণ পদ্ধতি প্রধানতঃ তিনটি মূল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত ।(১)ইন্দ্রিয় পরিমার্জনের নীতি , (২)আত্মপ্রচেষ্টার নীতি এবং (৩)সক্রিয়তার নীতি

মন্তেসরির শিক্ষণ পদ্ধতি এই তিনটি মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত । সার্থকভাবে শিক্ষা পরিচালনা করতে হলে প্রথমতঃ শিক্ষার্থীর ইন্দ্রিয়ের পরিমার্জন করতে হবে ( Principle of sense training ) । ইন্দ্রিয়ের পরিমার্জন করে তাকে জ্ঞান আহরণের জন্য প্রস্তুত করতে হবে । শিক্ষার্থীকে অবাধ স্বাধীনতা দিতে হবে কাজ করার ( Principle of  liberty ) এবং এই স্বাধীনতার মধ্যে শিশুরা বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতির সাহায্যে ( Didactic apparatus ) নিজেরাই শিখবে ( Auto – education ) ।  

মন্তেসরি এই পদ্ধতির শুধু তাত্ত্বিক আলোচনা করেননি , তিনি শিক্ষাদানের পদ্ধতিও প্রত্যক্ষভাবে প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন । তিনি ছ’বছর পর্যন্ত শিশুদের শিক্ষার জন্য নিম্নলিখিত তিন ধরনের অনুশীলন পদ্ধতির উল্লেখ করেছেন— 

[ এক ] তিনি শিক্ষার্থীদের জীবন যাপনের উপযোগী শিক্ষা দেওয়ার জন্য কিছু সাধারণ কাজের অনুশীলনের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন । কাপড় কাচা , ঘর পরিষ্কার করা , ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য দাঁত মাজা , নখ কাটা , আসবাবপত্র পরিষ্কার করা , জুতো পরিষ্কার করা ইত্যাদির মত কাজ শিশুদের শেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে মন্তেসরি পদ্ধতিতে । 

মন্তেসরি মনে করতেন পরনির্ভরশীলতা স্বাধীনতার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় । তাই তাকে পরবর্তী স্তরে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হলে প্রথমে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে এবং এই কারণেই তিনি এই ধরনের ছোটখাটো দৈনন্দিন কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন । এছাড়া , শিশুদের দেহের পেশী সঞ্চালনের মধ্যে সামঞ্জস্য আনার জন্য বিভিন্ন ধরনের ব্যায়ামেরও কিছু ব্যবস্থা করেছিলেন । এই শিক্ষা দেওয়ার জন্য তিনি বিভিন্ন রকমের যান্ত্রিক কৌশলের সাহায্য নেন । হাতের কাজ , হাঁটা ইত্যাদির মাধ্যমে এই শিক্ষাদানের ব্যবস্থা মন্তেসরি করেন ।  

এইসব কাজের মাধ্যমে দু’রকম ফল পাওয়া যায় । এক দিকে শিশুর সুসামঞ্জস্য দৈহিক বিকাশ হয় এবং অন্যদিকে জীবনের প্রত্যক্ষ কাজের সঙ্গে তাদের পরিচিতি ঘটে এবং সেই অনুযায়ী তারা প্রশিক্ষণ লাভ করে । 

[ দুই ] মন্তেসরি তাঁর পদ্ধতিতে শিখন , চিন্তন , বিচারকরণ ইত্যাদির চেয়ে ইন্দ্রিয়ের প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্ব বেশী দিয়েছেন । এই কারণে তিনি বিভিন্ন ধরনের ডিডাটিক যন্ত্রের Didactic apparatus ) আবিষ্কার করেন । এইসব যন্ত্রের দ্বারা শিক্ষার্থীর ইন্দ্রিয়ানুভূতির বিকাশ হয় এবং শিক্ষার্থীর শিখন উপযোগী দৈহিক ও মানসিক প্রস্তুতি আসে ।  

এই ধরনের যন্ত্রপাতির মধ্যে আছে কাঠের বিভিন্ন অনুশীলন আকারের টুকরো , কাগজ , আসবাবপত্র , বিভিন্ন ধরনের মুদ্রা , পেন্সিল , বিভিন্ন রঙের উল , বাক্স , ঘণ্টা , ঘনক , রঙ , বিভিন্ন তাপমাত্রার জল ইত্যাদি । এইসব বস্তুর সাহায্যে শিশুদের আকার , ওজন , স্পর্শ , শ্রবণ এবং রঙ প্রভৃতির প্রত্যক্ষণ সম্পর্কে সঠিক ধারণা গঠনের সহায়তা করা হয় । 

স্পর্শেন্দ্রিয়ের অনুভূতিকে জাগ্রত করার জন্য শিশুদের বিভিন্ন তাপমাত্রার জল পরীক্ষা করতে দেওয়া হয় । অনেক সময় শিরীষ কাগজও স্পর্শ করতে দেওয়া হয় । আকার সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের কাঠের চোঙ ( Cylinder ) এবং বিভিন্ন ধরনের কাঠের টুকরো ব্যবহার করা হয় । শব্দানুভূতি জাগ্রত করার জন্য বিভিন্ন বাক্সে বিভিন্ন পরিমাণ পাথরের নুড়ি রেখে শব্দ উৎপাদন করা হয় । ওজন সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ওজনের জিনিস তুলনামূলকভাবে পরীক্ষা করতে দেওয়া হয় । রঙের অনুভূতি জাগ্রত করার জন্য বিভিন্ন রং এর কাঠ এবং উল পরীক্ষা করতে দেওয়া হয় ।  

এইসব ডিডাকটিক যন্ত্রের সাহায্যে শিক্ষাদানের পদ্ধতি মনোবিদ্যা সম্মত । শিক্ষাক্ষেত্রে তিনটি মনোবিদ্যাসম্মত মূল নীতির উপর এই পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত । অনুষঙ্গ( Association ) ,প্রত্যাভিজ্ঞা ( Recognition ) এবং পুনরুদ্রেক ( Recall ) — এই তিন পর্যায়ে মানসিক প্রক্রিয়া সংগঠিত হয় । 

[ তিন ] ইন্দ্রিয়ের প্রশিক্ষণের পর আসে লেখা পড়া ও গণিত শিক্ষা । মন্তেসরি পদ্ধতিতে পড়ার ( Reading ) আগে লেখা ( Writing ) শেখানো হয় । এই শিক্ষার ক্ষেত্রে মন্তেসরি শিক্ষা সঞ্চালনের তত্ত্ব ( Transfer of training ) কে বিশেষভাবে কাজে লাগিয়েছেন । সাধারণ প্রস্তুতিমূলক সঞ্চালনকে ( Movement ) ধীরে ধীরে কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করা হয় এই পদ্ধতিতে ।

লেখা শিক্ষার বিভিন্ন স্তর :

হাতের লেখা শেখানোর তিনি তিনটি স্তরের উল্লেখ করেছেন –

( ১ ) প্রথমে বিভিন্ন বর্ণের আকৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া ( Recognition of form of different alphabets ) । শিক্ষার্থীকে এই আকার সম্পর্কে পরিচিত করার জন্য শিরীষ কাগজে বিভিন্ন বর্ণ কেটে বোর্ডের মধ্যে আঠা দিয়ে আটকানো হয় এবং তাদের হাতের দ্বারা স্পর্শ করে অনুভব করতে দেওয়া হয় । এরপর ধীরে ধীরে পেন্সিলের ব্যবহার করে সেই স্পর্শানুভূতিকে সঞ্চলিত করা হয় ; 

( ২ ) শিক্ষার্থীরা যখন এইভাবে বর্ণগুলির উপর হাত দিয়ে স্পর্শ করে অভ্যাস করতে থাকে , তখন শিক্ষিকা সেগুলির উচ্চারণ তাদের শোনান । শিশুদেরও ঐ শব্দ পুনরাবৃত্তি করতে বলা হয় । এমনিভাবে পড়ারও প্রস্তুতি হতে থাকে । 

( ৩ ) পরবর্তী পর্যায়ে শিশুদের বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে পেন্সিলের উপর আয়ত্ত আনার চেষ্টা করা হয় । এইজন্য একটি পাতলা চারকোণা লোহার ফ্রেম ব্যবহার করা হয় । ঐ ফ্রেমটি কাগজের উপর রেখে পেন্সিল দিয়ে ওর ভেতরের এবং বাইরের ধার বরাবর লাইন টানতে বলা হয় । 

পড়া শিক্ষা :

‘ পড়া ’ শেখানোর ব্যাপারে মন্তেসরি বলেছেন— লেখার সময় যে প্রস্তুতি আসবে , তার সঞ্চালনের মাধ্যমে শিশুরা পড়তে শিখবে । পড়া শেখানোর জন্য মন্তেসরি কার্ড ব্যবহার করেছেন । এক একটি কার্ডে বিভিন্ন শব্দ লেখা থাকে । শব্দগুলি সাধারণতঃ শিশুর পরিচিত বস্তুর নাম । সে শব্দগুলি বারবার পুনরাবৃত্তি করে এবং যখন ঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারে , তখন কার্ডটিকে ঠিক সেই বস্তুর নিচে তাকে রাখতে বলা হয় , যার নাম ওতে লেখা আছে । বাক্য শেখানোর ক্ষেত্রেও ঐ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় ।

গণিত শিক্ষা :

গণিত শিক্ষা মন্তেসরির মতে , লেখা এবং পড়া শিক্ষার পর হবে । তবে গণিত শেখানোর জন্য তিনি নতুন কিছু পদ্ধতির কথা বলেননি । প্রত্যক্ষ বস্তুর সাহায্যে গণনা শিক্ষা এবং অন্যান্য গণিতের কৌশল শেখানোর জন্য “ লং স্টেয়ার ” ( Long stair ) ব্যবহার করেছেন । এছাড়াও , মন্তেসরি পদ্ধতিতে নানা রকম হাতের কাজ এবং চারিত্রিক গুণ বিকাশের উপযোগী বিভিন্ন রকমের পাঠেরও ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।   

মন্তেসরি পদ্ধতিতে শিক্ষক ( Teacher in Montessori System )  

মন্তেসরি পদ্ধতিতে শিশুকে অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে এবং স্বয়ংশিক্ষার ( Auto – education ) উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে । তাই তাঁর পদ্ধতিতে শিক্ষিকার দায়িত্ব হল — শিশুদের এই স্বয়ংশিক্ষার প্রক্রিয়াকে নির্ধারিত পথে পরিচালনা করা । শিক্ষিকার কাজ হবে সঠিকভাবে শিশুদের পরিচালনা করা । তাঁর পদ্ধতিতে শিক্ষিকাকে তাই পরিচালিকা ( Directress ) বলা হয় ।  

পরিচালিকা শিশুর কাজ পর্যবেক্ষণ করবেন এবং একান্ত প্রয়োজন হলে তাদের সাহায্য করবেন । তিনি স্বয়ংশিক্ষার প্রক্রিয়াকে অন্তরাল থেকে পরিচালনা করবেন । মন্তেসরি শিক্ষিকার গুণাবলী সম্পর্কে বলেছেন— ” Virtues and not words are the main qualifications of the teacher . She should be partly a scientist , partly a doctor and completely religious . ” 

আলোচনা  

মন্তেসরির শিক্ষা চিন্তা আধুনিক শিক্ষাতত্ত্বকে নানা দিক থেকে প্রভাবিত করেছে । বিশেষ করে তাঁর প্রবর্তিত পদ্ধতি আধুনিক কালে শিশুশিক্ষার ক্ষেত্রে অনবদ্য স্থান অধিকার করে আছে । মন্তেসরি চিকিৎসক হিসেবে তাঁর জীবন শুরু করেন , ফলে তার দৃষ্টিভঙ্গী ছিল বিজ্ঞানসম্মত । তাঁর শিক্ষা তত্ত্ব বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ এবং বিজ্ঞান সম্মত পরীক্ষণের উপর প্রতিষ্ঠিত । শিক্ষাক্ষেত্রে পদ্ধতি এবং উপকরণই শেষ কথা নয় ; পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণ ছাড়া শিক্ষা সার্থক হবে না । 

আরো পড়ুন : মন্তেসরি শিক্ষা পদ্ধতি

মন্তেসরির মতে শিক্ষার লক্ষ্য

কিন্ডারগার্টেন এবং মন্টেসরি পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য

মন্টেসরি এডুকেশন

মন্তেশ্বরী শিক্ষা পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য

error: Content is protected !!