সিনেমার পর্দা সাদা ও অমসৃণ হয় কেন

সিনেমার পর্দা সাদা ও অমসৃণ হয় কেন 

সিনেমার পর্দা অমসৃণ হওয়ায় পর্দায় আপতিত আলোর বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন ঘটে । ফলে প্রতিফলিত রশ্মি হলের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে , অর্থাৎ প্রতিটি দর্শকের চোখে পৌঁছোয় । এজন্য হলের যে কোনো স্থান থেকে দর্শকরা ছবি দেখতে পায় । সিনেমার পর্দা সম্পূর্ণ মসৃণ হলে পর্দায় আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটত । ফলে হলের মধ্যে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট দিক থেকে দর্শকরা ছবি দেখতে পেত এবং প্রতিফলিত আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে যেত । অন্যদিকের দর্শকরা কোনো ছবি দেখতে পেত না । তাই , সিনেমার পর্দা অমসৃণ করা হয় । 

সিনেমার পর্দা সাদা হওয়ায় তা আপতিত আলোককে শোষণ করে না , প্রায় সম্পূর্ণ অংশই প্রতিফলিত করে । তাই সাদা পর্দায় ছবি উজ্জ্বল দেখায় । এছাড়া , সব বর্ণের আলোককেই সাদা পর্দা প্রতিফলিত করে বলে ছবির রং এর পরিবর্তন হয় না । সিনেমার পর্দা কালো হলে তা সব আলো শোষণ করে নিত । কোনো আলোর প্রতিফলন হত না । ফলে পর্দায় ছবিও দেখা যেত না । তাই , সিনেমার পর্দা সাদা করা হয় । 

সিনেমার পর্দায় গঠিত প্রতিবিম্বের প্রকৃতি 

সিনেমার পর্দায় বস্তুর সদ প্রতিবিম্ব গঠিত হয় । 

সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের প্রকৃতি 

পর্দার পরিবর্তে একটি সমতল দর্পণ রাখলে আপতিত আলোর নিয়মিত প্রতিফলন হত । ফলে হলের মধ্যে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট দিক থেকে দর্শকরা ছবি দেখতে পেত এবং প্রতিফলিত আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে যেত । অন্যদিকের দর্শকরা ছবি দেখতে পেত না ।

বইয়ের পাতা সাদা ও খসখসে হয় কেন  

বইয়ের পাতা সাদা হওয়ায় পাতায় কোনো আলো শোষিত হয় না । ফলে লেখাগুলো স্পষ্ট দেখা যায় । পাতা খসখসে হওয়ায় আলোর বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন হয় । ফলে যে কোনো দিক থেকে লেখা পড়া যায় ।

জলে ভেজা ঘষা কাচ স্বচ্ছ ও চকচকে দেখায় কেন 

ঘষা কাচ অমসৃণ । তাই ঘষা কাচের ওপর আপতিত আলোর বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন হয় । সেজন্য ঘষা কাচকে অস্বচ্ছ দেখায় । জলে ভেজালে ঘষা কাচের ওপর জলের একটি পাতলা আস্তরণ পড়ে । ফলে অমসৃণ তলটি কিছুটা মসৃণ হয় । এর ফলে আপতিত আলোর কিছু অংশ কাচের মধ্যে প্রবেশ করায় কাচকে স্বচ্ছ দেখায় । আবার , আপতিত আলোর কিছু অংশের কাচের তল থেকে নিয়মিতভাবে প্রতিফলন ঘটে । এই কারণে ঘষা কাচকে চকচকে দেখায়

error: Content is protected !!