কন্দ কাকে বলে

কন্দ কাকে বলে

Screenshot ২০২১০৬১৭ ১১০৪১২6
কন্দ কাকে বলে

যেসব মৃদগত কান্ড চ্যাপ্টা চাকতির মতো কন্দাকারে অবস্থান করে এবং পর্ব ও পর্বমধ্য সঙ্কুচিত , শল্কপত্রে খাদ্য সঞ্চিত থাকে , তাদের কন্দ বা বালব বলে ।
উদাহরণ 一 পেঁয়াজ , রসুন , লিলি প্রভৃতি উদ্ভিদে এরকম কান্ড দেখা যায় ।

কন্দের প্রকারভেদ 

শল্কপত্রের বিন্যাস অনুযায়ী কন্দ দু -প্রকারের —

i. বেষ্টিত কন্দ বা টিউনিকেটেড বালব ( Tunicated bulb ) ও ii. শল্কিত কন্দ বা স্কেলি বালব ( Scaly bulb ) ।

বেষ্টিত কন্দ :

এক্ষেত্রে রসালাে শল্কপত্রগুলি নিয়মিত ও সমকেন্দ্রীয়ভাবে একটি অপরটিকে সম্পূর্ণরূপে বেষ্টন করে রাখে । বাইরের দিকে শল্কপত্র কিছু শুষ্ক ঝিল্লি ( tunica ) দ্বারা আবৃত থাকে । উদাহরণ – পেঁয়াজ ( Allium cepa ) । 

শল্কিত কন্দ :

এক্ষেত্রে শল্কপত্রগুলি ছােটো এবং শল্কের মতাে । শল্কপত্রগুলি অনিয়মিতভাবে সাজানাে থাকে । বাইরের দিকে কোনাে শুষ্ক ঝিল্লি ( tunica ) থাকে না । উদাহরণ – রসুন ( Allium sativum ) , লিলি ( Lilium candidum ) ইত্যাদি ।

কন্দের বৈশিষ্ট্য

কন্দের বৈশিষ্ট্য গুলি হল— 

( i ) মৃদগত কান্ডের মধ্যে কন্দ সবচেয়ে ছােটো ও দেখতে অনেকটা ছােটো চাকতির ( Disc ) মতাে এবং লম্বভাবে অবস্থান করে । 

( ii ) পর্ব ও পর্বমধ্য দেখা যায় কিন্তু পর্বমধ্যগুলি সংকুচিত ।

( iii ) কন্দের নীচের দিকে অসংখ্য অস্থানিক মূল উৎপন্ন হয় । 

( iv ) পর্ব থেকে রসাল শল্কপত্র গঠিত হয়ে কান্ডকে সম্পূর্ণ ঢেকে রাখে । প্রতিটি শল্কপত্র প্রকৃতপক্ষে পত্রমূল ( Leaf base ) । 

( v ) কান্ডের কেন্দ্রে অগ্ৰমুকুল এবং শল্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল উৎপন্ন হয় । 

( vi ) অগ্ৰমুকুল ভৌম পুষ্পদন্ড ( Scape ) ও কাক্ষিক মুকুল অপত্য কন্দ ( Daughter bulb ) সৃষ্টি করে ।

error: Content is protected !!