ভাইরাসকে জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী পর্যায়ের বস্তু বলা হয় কেন

ভাইরাসকে জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী পর্যায়ের বস্তু বলা হয় কেন

ভাইরাস অত্যন্ত সরল গঠন যুক্ত । কেবলমাত্র একপ্রকার নিউক্লিক অ্যাসিড ( DNA / RNA ) এবং প্রােটিন আবরণী নিয়ে গঠিত । এদের সাইটোপ্লাজম , কোশ অঙ্গাণু , বিপাকীয় ক্রিয়া প্রভৃতি সজীবতার লক্ষণ অনুপস্থিত । জীবনচক্রে বহিঃকোশীয় দশায় এদের অস্তিত্ব উপলব্ধি করা যায় না । অপরপক্ষে এরা পােষক কোশের ভিতর বংশ বৃদ্ধি করে , এদের পরিব্যক্তি ঘটে । রােগ সৃষ্টিকারী পরজীবীর মতাে আচরণ করে । বহিঃকোশীয় এবং অন্তঃকোশীয় দশায় যথাক্রমে জড় ও জীবের মতাে পরস্পর বিপরীতধর্মী আচরণের জন্য এদের জড় ও জীব উভয়ের মধ্যবর্তী পর্যায়ের বস্তু বলা হয় । 

ভাইরাস কে অকোষীয় বলা হয় কেন

ভাইরাসের দেহে কোশ পর্দা , সাইটোপ্লাজম , নিউক্লিয়াস , কোনাে কোশীয় অঙ্গাণু থাকে না । ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায় । কোশে বিপাকের জন্য যে ন্যূনতম প্রােটিনের প্রয়ােজন তার ওজন হল 10-15 গ্রাম । এই প্রােটিন যে কোশ ধারণ করতে পারে তার ন্যূনতম দৈর্ঘ্য 0.1μm কারণ সবচেয়ে ক্ষুদ্র কোশ মাইকোপ্লাজমার ( Mycoplasma ) দৈর্ঘ্য হল 0.1μm । ভাইরাসের দৈর্ঘ্য 0.1μm এর নীচে । উপরােক্ত কারণগুলির জন্য ভাইরাসকে অকোশীয় বলা হয়

Leave a Comment

error: Content is protected !!