অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র কাকে বলে

অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র কাকে বলে শিঙি , মাগুর প্রভৃতি জিয়ল মাছেদের ফুলকা ছাড়াও একটি বিশেষ ধরনের শ্বাসযন্ত্র থাকে । একে অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র বলে । এই অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্রের সাহায্যে জিয়ল মাছেদের ডাঙায় তোলার পরেও বাতাস থেকে সহজে শ্বাসগ্রহণ করে বেঁচে থাকতে পারে । খাল , বিল , ডোবার জলে কম পরিমাণ অক্সিজেন দ্রবীভূত থাকায় মাঝে মাঝে এদের …

Read more

প্রাণীদের শ্বসন অঙ্গ বা শ্বসন পদ্ধতি

প্রাণীদের শ্বসন অঙ্গ বা শ্বসন পদ্ধতি বৈচিত্রময় পরিবেশে প্রাণীদের শ্বাসযন্ত্র যেমন আলাদা তেমনি শ্বসন পদ্ধতিও আলাদা । সরল থেকে জটিল বিভিন্ন ধরনের শ্বসন কৌশল পরিলক্ষিত হয় । গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শ্বসন পদ্ধতির উল্লেখ করা হল । দেহতল  জলজ পরিবেশ বা অন্য কোনো তরল মাধ্যমে বসবাসকারী প্রাণী শ্বসনের জন্য তরলে দ্রবীভূত অক্সিজেনের উপর নির্ভরশীল । এরা দেহতল …

Read more

কোহল সন্ধান ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য

কোহল সন্ধান ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য কোহল সন্ধান ও অবাত শ্বসনের মধ্যে পার্থক্যগুলি হল 一 কোহল সন্ধান : 1. কোহল সন্ধান প্রক্রিয়ায় মুক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় না ।  2. এই প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থ কোশের বাইরে সঞ্চিত হয় অর্থাৎ এটি বহিঃকোশীয় প্রক্রিয়া ।  3. কোহল সন্ধান প্রক্রিয়ায় প্রান্তীয় হাইড্রোজেন গ্রাহক হল জৈব যৌগ ( পাইরুভিক অ্যাসিড …

Read more

ল্যাকটিক অ্যাসিড সন্ধান কাকে বলে

ল্যাকটিক অ্যাসিড সন্ধান কাকে বলে যে প্রক্রিয়ায় দুগ্ধ শর্করা ( ল্যাকটোজ ) ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়ার দেহে উৎসেচকের প্রভাবে আংশিক জারিত হয়ে ল্যাকটিক অ্যাসিড ও অল্প পরিমাণ তাপ নির্গত করে এবং দুধকে দই এ পরিণত করে , তাকে ল্যাকটিক অ্যাসিড সন্ধান বলে । ল্যাকটিক অ্যাসিড সন্ধানে CO2 উৎপন্ন হয় না ।  ল্যাকটিক অ্যাসিড সন্ধান এর রাসায়নিক …

Read more

কোহল সন্ধান কাকে বলে

কোহল সন্ধান কাকে বলে যে প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ দ্রবণ ইষ্ট নিঃসৃত উৎসেচকের প্রভাবে আংশিক জারিত হয়ে ইথাইল অ্যালকোহল , CO2 এবং অল্প পরিমাণ তাপ নির্গত করে এবং দ্রবণটি গেঁজে উঠে , তাকে কোহল সন্ধান বলে ।  খেজুর ও তালের রস ইস্টের উপস্থিতিতে সন্ধান প্রক্রিয়ায় ইথাইল অ্যালকোহল এবং উৎপন্ন করে গেঁজে উঠে , একে তাড়ি বলে ।  …

Read more

পেশির ক্লান্তি কী

পেশির ক্লান্তি কী অতিরিক্ত পরিশ্রমের সময় পেশিকোশে অক্সিজেনের অভাবে সন্ধান প্রক্রিয়ায় ল্যাকটিক অ্যাসিড সঞ্চিত হলে পেশির ক্লান্তি ঘটে । কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলে ল্যাকটিক অ্যাসিড দূরীভূত হয় , পুনরায় পেশির স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে । আরো পড়ুন : সন্ধান কাকে বলে  শ্বসন কাকে বলে

মানুষের শ্বসন প্রক্রিয়া

মানুষের শ্বসন প্রক্রিয়া মানুষের শ্বসন প্রক্রিয়াটি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয় । যথা : প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস ।  প্রশ্বাস বা শ্বাস গ্রহণ ( Inspiration ) ( i ) শ্বাসগ্রহণ প্রক্রিয়ায় মধ্যচ্ছদা এবং বক্ষপঞ্জর মধ্যস্থ পেশি সমূহ প্রধান ভূমিকা পালন্ করে । ( ii ) প্রশ্বাসের সময় মধ্যচ্ছদা সংকুচিত হয়ে নীচের দিকে নেমে আসে এবং সঙ্গে সে …

Read more

মানুষের শ্বাসতন্ত্র

মানুষের শ্বাসতন্ত্র মানুষের শ্বাসঅঙ্গগুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায় । যেমন — মুখ্য শ্বাসযন্ত্র এবং গৌণ শ্বাসযন্ত্র । মুখ্য শ্বাসযন্ত্র ( Major respiratory organs ) মানুষের মুখ্য শ্বাসযন্ত্র যথাক্রমে একজোড়া ফুসফুস , একজোড়া ব্রঙ্কাস , একটি ট্রাকিয়া , ল্যারিংক্স , গ্লটিস , নাসাপথ , অন্তঃ নাসারন্ধ্র ও বহিঃনাসারন্ধ্র নিয়ে গঠিত ।  ফুসফুস ( Lungs ) …

Read more

সবাত শ্বসন ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য 

সবাত শ্বসন ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য  সবাত শ্বসন ও অবাত শ্বসনের মধ্যে পার্থক্যগুলি হল一 সবাত শ্বসন : 1. সবাত শ্বসনে মুক্ত অক্সিজেনের একান্ত প্রয়োজন ।  2. সকল বায়ুজীবী জীবের কোশে সবাত শ্বসন ঘটে ।  3. এই প্রকার শ্বসনে গ্লুকোজের সম্পূর্ণ জারণ ঘটে । সবাত শ্বসন কোশের সাইটোপ্লাজম এবং মাইটোকনড্রিয়ায় ঘটে ।  5. কার্বন ডাই অক্সাইড …

Read more

অবাত শ্বসন কাকে বলে

অবাত শ্বসন কাকে বলে যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অবায়ুজীবী জীবকোশে মুক্ত অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে কোশস্থ খাদ্য বা শ্বসনবস্তু ( গ্লুকোজ ) অক্সিজেন যুক্ত যৌগের অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড , জল ও শক্তি উৎপন্ন করে , তাকে অবাত শ্বসন বলে ।  অবাত শ্বসন কোথায় ঘটে  সালফার ব্যাকটেরিয়া , মিথেন ব্যাকটেরিয়া , ডিনাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়াতে অবাত শ্বসন …

Read more

error: Content is protected !!