ঐতিহাসিক বস্তুবাদ কাকে বলে

ঐতিহাসিক বস্তুবাদ কাকে বলে মার্কসীয় মতবাদের গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি হল ঐতিহাসিক বস্তুবাদ । সমাজ জীবনের বিকাশের ক্ষেত্রে দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের মূল সূত্রগুলির প্রয়োগই হল ঐতিহাসিক বস্তুবাদ ।  এঙ্গেলসের মতে , ঐতিহাসিক বস্তুবাদের প্রয়োগের মধ্য দিয়ে মার্কস মানব ইতিহাসের বিবর্তনের বৈজ্ঞানিক সূত্রগুলি আবিষ্কার করেছেন । মার্কসীয় মতে , সমাজ বহির্ভূত শক্তির দ্বারা সমাজের বিকাশ বা পরিবর্তন ঘটে না …

Read more

নয়া উদারনীতিবাদ কাকে বলে

নয়া উদারনীতিবাদ কাকে বলে রাষ্ট্রতত্ত্বের আলোচনায় অর্থনীতিক উদারনীতিবাদের পুনরুত্থানই হল নয়া উদারনীতিবাদ । উদারনীতিবাদী দর্শনের নব প্রজন্মের চিন্তাবিদরা বিংশ শতাব্দীর অষ্টম দশকে নয়া উদারনীতিবাদী তত্ত্বের অবতারণা করেন । নয়া উদারনীতিবাদকে অনেক সময় নয়া ক্ল্যাসিক্যাল (neoclassical) উদারনীতিবাদ হিসাবে অভিহিত করা হয় ।  নয়া উদারনীতিবাদের প্রধান প্রবক্তারা হলেন ফ্রায়েডরিখ , এ. ডি. হায়েক , ইশিয়া বারলিন , …

Read more

আধুনিক বা সংশোধনমূলক উদারনীতিবাদের মূল নীতি

আধুনিক বা সংশোধনমূলক উদারনীতিবাদের মূল নীতি ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে সাবেকি উদারনীতিবাদের বক্তব্য সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু হয় । গ্রিন , ব্রাডলি , বোসাঙ্কেটের ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদী ধারণার সঙ্গে সমাজতান্ত্রিক চিন্তা ভাবনার সংমিশ্রণে আধুনিক বা সংশোধনমূলক উদারনীতিবাদ গড়ে ওঠে । সংশোধনমূলক বা আধুনিক উদারনীতিবাদের মূলনীতিগুলি হল—  উদারনৈতিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা  আধুনিক বা সংশোধনমূলক উদারনীতিবাদে উদারনৈতিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা …

Read more

উদারনীতিবাদ কাকে বলে

উদারনীতিবাদ কাকে বলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের তাত্ত্বিক আলোচনায় রাষ্ট্রের কার্যাবলি এবং প্রকৃতি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ হল উদারনৈতিক মতবাদ । বস্তুত , রাষ্ট্রবিজ্ঞানে উদারনীতিবাদের সাধারণ অর্থ হল রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে ব্যক্তি স্বাধীনতার নীতি প্রতিষ্ঠা ।  এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা অনুযায়ী , উদারনীতিবাদ হল এমন এক ধারণা যা সরকারি কাজের নীতি ও পদ্ধতিরূপে , সমাজ গঠনের নীতিরূপে এবং ব্যক্তি ও …

Read more

ধ্রুপদী উদারনীতিবাদ কাকে বলে 

ধ্রুপদী উদারনীতিবাদ কাকে বলে  ধ্রুপদী উদারনীতিবাদ হল একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের উদারনৈতিক ঐতিহ্য। ধ্রুপদী উদারনীতিবাদকে অনেক সময় ঊনবিংশ শতাব্দীর উদারনীতিবাদও বলা হয়। কারণ সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরের পর্যায়ে ধ্রুপদী উদারনৈতিক ধ্যান-ধারণার বিকাশ ঘটে । ব্রিটিশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জন লক এর Two Treatises of Government শীর্ষক গ্রন্থটি ১৬৯০ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর ধ্রুপদী উদারনীতিবাদ এর সূচনা …

Read more

উদারনীতিবাদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ 

উদারনীতিবাদের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ  গ্রিক দার্শনিকদের দুটি প্রধান নীতি — চিন্তার স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা উদারনীতিবাদের প্রাথমিক উৎস । বস্তুত , সপ্তদশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে সামন্ততান্ত্রিক স্বৈরাচারী শাসন ও বিধি নিষেধের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের মধ্যে দিয়ে উদারনৈতিক মতবাদ জন্মগ্রহণ করে ।  ইউরোপে মধ্যযুগের নবজাগরণ আন্দোলন ও ধর্মসংস্কার আন্দোলনের সাফল্যের ফলে উদারনীতিবাদ সুপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৬৮৮ সালে ‘ …

Read more

জাতিপুঞ্জের মহাসচিবের ক্ষমতা ও কার্যাবলী

জাতিপুঞ্জের মহাসচিবের ক্ষমতা ও কার্যাবলী সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের কাজকর্ম পরিচালনার ব্যাপারে সচিবালয় ও মহাসচিবের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে । বিশ্বশান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষায় নিরাপত্তা পরিষদের পরই মহাসচিব এবং তাঁর সচিবালয় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে । একজন মহাসচিব এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারীদের নিয়ে সচিবালয় গঠিত হয় । নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ অনুসারে সাধারণ সভা মহাসচিবকে নির্বাচন করে থাকে । …

Read more

আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের ক্ষমতা ও কার্যাবলী

আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের ক্ষমতা ও কার্যাবলী জাতিপুঞ্জের সনদ অনুযায়ী ( ৯২ নং ধারা ) আন্তর্জাতিক বিচারালয় জাতিপুঞ্জের মুখ্য বিচার বিভাগীয় সংস্থা । আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধের মীমাংসা করা এবং আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কিত বিষয়ের আলোচনার উদ্দেশ্যে এই বিচারালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ।  সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সনদ স্বাক্ষরকারী সব সদস্যরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক বিচারালয়ে বিচারপ্রার্থী হতে পারে । যেসব রাষ্ট্র …

Read more

অছি পরিষদের গঠন ক্ষমতা ও কার্যাবলী

অছি পরিষদের গঠন ক্ষমতা ও কার্যাবলী অছি পরিষদের গঠন  অছি ব্যবস্থা : ১৯৪৫ সালে সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ যখন গঠিত হয় তখনও বিশ্বের বহু এলাকার অধিবাসীরা স্বাধীনতা অর্জন করতে সক্ষম হননি । জাতিপুঞ্জের সনদে বলা হয় যে , সংশ্লিষ্ট এলাকার অধিবাসীদের আত্মনির্ভর এবং স্বাধীনতা লাভের উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে তাদের কয়েকটি বৃহৎ শক্তির শাসনাধীনে রাখা হবে …

Read more

আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের গঠন 

আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের গঠন  আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার ও আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক বিচারালয় স্থাপন করা হয় । আন্তঃরাষ্ট্রীয় সন্ধি ও চুক্তিগুলির ব্যাখ্যা দেওয়া , বিশ্বশান্তি বিঘ্নকারী আগ্রাসী রাষ্ট্রগুলিকে চিহ্নিত করে শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের প্রধান উদ্দেশ্য । আন্তর্জাতিক বিচারালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত ।  বিচারপতির সংখ্যা ও নিয়োগ  আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের একটি স্বতন্ত্র সংবিধান …

Read more

error: Content is protected !!